,


আলতাদীঘি

আলতাদীঘি ভ্রমণ গাইড

আমাদের আজকের প্রতিবেদনটি আলতাদীঘি কে ঘিরে। আলতাদীঘি কোথায় অবস্থিত,আলতাদীঘি এর ইতিহাস, কেন যাবেন চলন বিলতে, কিভাবে যাবেন, কোথায় থাকবেন এ নিয়ে আমাদের প্রতিবেদন টি সাজানো হয়েছে। আশা করি, আমাদের মূল্যবান প্রতিবেদনটি পড়ে আপনারা উপকৃত হবেন।

আলতাদীঘি কোথায়?

বিভাগ জেলা উপজেলা ইউনিয়ন
রাজশাহী নওগাঁ ধামইরহাট

আলতাদীঘি সম্পর্কে কতটুকু জানেন?

আলতাদিঘীটি বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তবর্তী অংশে অবস্থিত একটি প্রাচীন জলাশয়। দিঘীটির আয়তন ৪৩ একর। এই জলাশয় দৈর্ঘ্যে ১১০০ মিটার এবং প্রস্থে ৫০০ মিটার। পাহাড়ের মতো পাড়গুলি উঁচু এবং দক্ষিণ পাড় শালবনে ঢাকা। প্রাচীন দিঘীগুলির মধ্যে এটিই বোধ হয় বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ সচল দিঘী। উল্লেখ্য বিশাল দিঘী রামসাগরের দৈর্ঘ্য এটির চেয়ে ১৫০ মিটার বেশি হলেও চওড়ায় ১৫০ মিটার কম। আর রামসাগর ১৭৫০ সালের দিকে খনন করা হয়। কিন্তু আলতাদিঘী হিন্দু-বৌদ্ধ যুগের দিঘী। প্রমাণের অভাবে এই জলাশয়ের ইতিহাস সম্বন্ধে সঠিকভাবে কিছু বলা যায় না। তবে এই জলাশয় জগদ্দল মহাবিহারের সমসাময়িক হতে পারে। আলতাদিঘী জাতীয় উদ্যানে মেছোবাঘ, গন্ধগোকুল, শিয়াল, অজগর ও বানর পাওয়া যায়। এছাড়াও বিভিন্ন প্রজাতির পাখি, পোকামাকড়সহ নানা প্রজাতির জীববৈচিত্র্য রয়েছে। বিশেষত শালগাছকে আলিঙ্গণ করে গড়ে ওঠা উঁই পোকার ঢিবিগুলো সবচেয়ে আকর্ষণীয়। বর্তমানে আলতাদিঘীটি ইজাদারদের নিকট ইজারা দেওয়া হয়েছে যা এলাকার পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্যের জন্য হুমকি বলে বিশেষজ্ঞগণ বিবেচনা করেন।

আলতাদীঘিতে কেন যাবেন?

ভ্রমন পিপাসু মানুষ দের কে যদি এই কথা জিজ্ঞাসা করা হয়, তবে তারা এই কথা অহেতু হাসির ছলে উড়িয়ে দিবে । কারন, ভ্রমন পিপাসু মানুষদের কাছে এই কথা মূল্যহীন । তবুও বলি,

  • আলতাদীঘি একটি দর্শনীয় স্থান ।
  • আলতাদীঘি অত্যন্ত মনোরম, যা আপনার মনকে প্রফুল্ল করে তুলবে ।
  • আলতাদিঘীটি বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তবর্তী অংশে অবস্থিত একটি প্রাচীন জলাশয় ।
  • আলতাদিঘী পাহাড়ের মতো পাড়গুলি উঁচু এবং দক্ষিণ পাড় শালবনে ঢাকা

আলতাদীঘিতে ভ্রমন করলে আপনি হতাশ হবেন না । এটি আমরা হরফ করে আপনাদের জানান দিয়ে দিতে পারি ।

কিভাবে আলতাদীঘিতে যাবেন ?

যে কোন স্থান হতে বাস যোগে, ট্রেন যোগে ও বিমানের মাধ্যমে রাজশাহী যেতে পারেন। তারপর নওগাঁ হতেআলতাদীঘিতে যাওয়ার উপায় নিচে উল্লেখ করা হলোঃ

নওগাঁ বাস টার্মিনাল থেকে আলতাদীঘি

নওগাঁ জেলা বাস স্ট্যান্ড থেকে বাস, মাইক্রোবাস, সিএনজি, ইজিবাইক/ অটোরিক্সা যোগে চলন বিল যাওয়া যায়। গাড়ি থেকে নেমেই রাস্তার পাশে আলতাদীঘিতে দেখা যায়।

আলতাদীঘিতে থাকবেন কোথায়?

দেশের নানা প্রান্ত থেকে রবি ঠাকুরের কুঠিবাড়ীতে ভ্রমনে ভ্রমনযাত্রী আসতে পারে, যাদের একদিনের মধ্যে ভ্রমন করে আবার বাড়ি ফিরে যাওয়া সম্ভবপর হয়ে ওঠেনা । তাই আপনার ভ্রমনে চিন্তা কোনো প্রকার না আসে সে জন্য ক্ষুদ্র প্রয়াসে নওগাঁ সদরের আশে পাশের কিছু হোটের নাম তুলে ধরছি । ম্যাপে নওগাঁ সদরের আশে পাশের কিছু হোটেলের নাম ও তাদের খরচ সম্পর্কে দেওয়া হলো,

মন্তব্য

আলতাদীঘিকে নিয়ে আমাদের প্রতিবেদনটি আশা করি আপনাদের ভালও লেগেছে । আমাদের প্রতিবেদনটি আপনাদের কেমন লাগলো তা আমাদের কমেন্টে জানাতে ভুলবেন না । পরিশেষে, ধন্যবাদ আমাদের প্রতিবেদনটি পড়ার জন্য ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


এই বিভাগের আরো

%d bloggers like this: