,


নবরত্ন-মন্দির
নবরত্ন মন্দির

নবরত্ন মন্দির ভ্রমণ গাইড

আমাদের আজকের প্রতিবেদনটি নবরত্ন মন্দির কে ঘিরে। নবরত্ন মন্দির কোথায় অবস্থিত, গাজনার বিল এর ইতিহাস, কেন যাবেন নবরত্ন মন্দিরে, কিভাবে যাবেন, কোথায় থাকবেন এ নিয়ে আমাদের প্রতিবেদন টি সাজানো হয়েছে। আশা করি, আমাদের মূল্যবান প্রতিবেদনটি পড়ে আপনারা উপকৃত হবেন।

গাজনার বিল কোথায়?

বিভাগ জেলা উপজেলা ইউনিয়ন
রাজশাহী সিরাজগঞ্জ উল্লাপারা

নবরত্ন মন্দির সম্পর্কে কতটুকু জানেন?

পাবনা জেলার সুজানগর উপজেলার বৃহত্তম বিল হচ্ছে গাজনার বিল। ১৬ টি ছোট-বড় বিলের সমন্বয়ে তৈরি এই গাজনার বিল সুজানগর উপজেলার প্রায় মাঝখানে অবস্থিত। বিলটি সুজানগর উপজেলার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কেননা এই অঞ্চলের অর্থনৈতিক উন্নয়ন অনেকাংশ এর উপর নির্ভরশীল। সুজানগর উপজেলার ১০ টি ইউনিয়নের সাথেই গাজনার বিল সংযুক্ত রয়েছে। গাজনার বিলের পানির প্রধান উৎস যমুনা নদী ও গাজনার বিলের মধ্যে সংযোগ কেন্দ্র হিসেবে রয়েছে “বাদাই সুইচ গেইট”। এই সুইচ গেইট বাঁধেরহাট-সুজানগর সড়কের (মুজিব বাঁধ বলে পরিচিত) সাগরকান্দি গ্রামে বাদাই নদের উপরে অবস্থিত। সুজানগর উপজেলার আত্রাই ও পদ্মা নদীর সংযোগে সৃষ্ট এ বিল গাজনা (গ-হস্তী বলেও পরিচিত) উপজেলার সবগুলো ইউনিয়ন জুড়ে বিস্তৃত। বিলের পূর্ব পাশে রানীনগর ইউনিয়ন, পশ্চিম পাশে মানিকহাট ইউনিয়নের বোনকোলা, উলাট, খয়রান সহ কিছু গ্রাম স্পর্শ করেছে। গাজনার বিলের এক পাশে রয়েছে বোনকোলা গ্রাম, এক পাশে রয়েছে হাটখালি ইউনিয়ন, এক পাশে রয়েছে চরদুলাই ও আরেক পাশে খয়রান-গাবগাছি। এই চারটি স্থানের মাঝেই গাজনার বিল অবস্থিত। গাজনার বিলের আয়তন প্রায় ১২ বর্গ মাইল বা ৩১০০ হেক্টর ।[২] এতে সব মিলিয়ে (পানি না আসা অংশ) আবাদি জমির পরিমান প্রায় ১০ হাজার হেক্টর। এইসব জমিতে পাট, পিঁঁয়াজ ও বিভিন্ন জাতের ধান উৎপাদন হয় ।

নবরত্ন মন্দিরে কেন যাবেন

ভ্রমন পিপাসু মানুষ দের কে যদি এই কথা জিজ্ঞাসা করা হয়, তবে তারা এই কথা অহেতু হাসির ছলে উড়িয়ে দিবে । কারন, ভ্রমন পিপাসু মানুষদের কাছে এই কথা মূল্যহীন । তবুও বলি,

  • নবরত্ন মন্দিরটি তিনতলাবিশিষ্ট ও এর দেয়ালে প্রচুর পোড়ামাটির নকশা করা রয়েছে।
  • শক্ত একটি মঞ্চের উপর স্থাপিত মন্দিরটির আয়তন ১৫ বর্গমিটার এর উপর।
  • যে স্তম্ভগুলোর মাধ্যমে মন্দিরটি দাঁড়িয়ে রয়েছে তার প্রতিটি স্তম্ভের দৈর্ঘ্য ১৫.৪ মিটার ও প্রস্থ ১৩.২৫ মিটার।
  • নবরত্ন নামটি এসেছে মন্দিরের উপর বসানো নয়টি চূড়া থেকে যেগুলো বর্তমানে প্রায় ধ্বংস হয়ে গিয়েছে।
  • নবরত্ন মন্দিরটি ৭টি বারান্দা ও ৫টি দরজার সমন্বয়ে গঠিত।
  • নবরত্ন মন্দিরের পাশাপাশি আরও তিনটি মন্দির রয়েছে।

নবরত্ন মন্দিরে ভ্রমন করলে আপনি হতাশ হবেন না । এটি আমরা হরফ করে আপনাদের জানান দিয়ে দিতে পারি ।

কিভাবে নবরত্ন মন্দিরে যাবেন ?

যে কোন স্থান হতে বাস যোগে, ট্রেন যোগে ও বিমানের মাধ্যমে রাজশাহী যেতে পারেন। তারপর পাবনা হতে গাজনার বিলে যাওয়ার উপায় নিচে উল্লেখ করা হলোঃ

সিরাজগঞ্জ বাস টার্মিনাল থেকে নবরত্ন মন্দির

সিরাজগঞ্জ জেলা বাস স্ট্যান্ড থেকে বাস, মাইক্রোবাস, সিএনজি, ইজিবাইক/ অটোরিক্সা যোগে নবরত্ন মন্দির যাওয়া যায়। গাড়ি থেকে নেমেই রাস্তার পাশে নবরত্ন মন্দির দেখা যায়।

নবরত্ন মন্দিরে থাকবেন কোথায়?

দেশের নানা প্রান্ত থেকে নবরত্ন মন্দির ভ্রমনে ভ্রমনযাত্রী আসতে পারে, যাদের একদিনের মধ্যে ভ্রমন করে আবার বাড়ি ফিরে যাওয়া সম্ভবপর হয়ে ওঠেনা । তাই আপনার ভ্রমনে চিন্তা কোনো প্রকার না আসে সে জন্য ক্ষুদ্র প্রয়াসে সিরাজগঞ্জ সদরের আশে পাশের কিছু হোটের নাম তুলে ধরছি । যেখানে, আপনি সেফলি থাকতে পারবেন । ম্যাপে পাবনাসদরের আশে পাশের কিছু হোটেলের নাম ও তাদের খরচ সম্পর্কে দেওয়া হলো,

নবরত্ন মন্দির কে নিয়ে আমাদের প্রতিবেদনটি আশা করি আপনাদের ভালও লেগেছে । আমাদের প্রতিবেদনটি আপনাদের কেমন লাগলো তা আমাদের কমেন্টে জানাতে ভুলবেন না । পরিশেষে, ধন্যবাদ আমাদের প্রতিবেদনটি পড়ার জন্য ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


এই বিভাগের আরো

%d bloggers like this: