,


ঈদের ছুটিতে এডিস মশার বৃদ্ধি কমাতে কী করবেন?
ঈদের ছুটিতে এডিস মশার বৃদ্ধি কমাতে কী করবেন?

ঈদের ছুটিতে এডিস মশার বৃদ্ধি কমাতে কী করবেন?

ডেস্ক রিপোর্টারঃ এবারে ঈদ এমন এক সময় হচ্ছে যখন ঢাকা এবং ঢাকার বাইরে অনেক জেলায় ডেঙ্গু রোগী শনাক্ত করা হয়েছে। এই অবস্থার মধ্যে ঢাকা ছেড়ে ঘরমুখো হাজার হাজার মানুষ। কিন্তু যে সময়টা এসব মানুষ তাদের ঢাকার বাসায় থাকবেন না, সেই সময়টাতে এডিস মশার জন্ম, বিকাশের একটা বড় আশঙ্কা রয়েছে।

এবারের ঈদের ছুটি নয় দিনের মতো। একটি মশার ডিম থেকে পূর্নাঙ্গ মশা হতে সাত দিন সময় লাগে। সেক্ষেত্রে এ সময়ের মধ্যে বিশেষ সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নিতে হবে।

যারা কোরবানি উপলক্ষে বাড়ি যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন, ছুটি শেষে বাসস্থানে ফিরতে হবে সে কথা ভেবে এখনই সচেতন হোন। বাড়িতে যাওয়ার আগে যে কাজগুলো করে যাবেন তা জেনে নিন:

১. বাথরুমের কমোড ঢেকে যান। কমোডের পানিতে হারপিক ঢেলে দিয়ে যান।

২. বালতি, বদনা ড্রাম খালি করে উলটো করে রেখে যান। কোথাও যেন পানি জমে না থাকে। এই জমা পানিতেই ডেঙ্গু মশার জন্ম হয়। তাই সাবধান হোন।

২. ডেঙ্গু মশা জন্মানোর উৎকৃষ্ট জায়গা হলো টব। তাই টবগুলো এমনভাবে রেখে যান যেন পানি না জমতে পারে।

৩. খোলা স্থানে কোন পাত্র ফেলে যাবেন না। এখনো যেহেতু বৃষ্টি হচ্ছে তাই সেসব পাত্রে পানি জমতে পারে।

৪. ফ্রিজ খালি করে বন্ধ করে যেতে পারেন অথবা পানি জমার জায়গায় ন্যাপথলিন দিয়ে রাখতে পারেন।

৫. বর্ষাকাল চলছে। তাই মাথায় রেখে রান্নাঘর, বারান্দায় বা অন্য কোথাও যেখানে পানি জমার সম্ভাবনা থাকে, সে জায়গাগুলো চিহ্নিত করে ব্যবস্থা নিন।

৬. অযথা অব্যবহৃত কাপড়চোপর জমিয়ে না রেখে দান করে ঘর পরিস্কার রাখুন। আবার ফার্নিচার পর্দা এসব কিনে ঘরের ইন্টেরিয়র বাড়ানোর নামে মশাবান্ধব করে তুলছেন কিনা সে দিকে নজর দিন।

৭. বাড়িতে যাওয়ার আগে ঘরের ফ্লোর, বারান্দা, বাথরুম ব্লিচিং পাউডার দিয়ে পরিস্কার করুন। তারপর এতে এরোসল ছিটিয়ে যান। ঘরের ঝুল থাকলে তাও পরিস্কার করুন।

৮. অব্যবহৃত বোতল বা কন্টেইনার অযথা রেখে দিবেন না। অপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্র ফেলে দিন নির্দিষ্ট জায়গায়।

৯. ঘর যত ফাঁকা রাখতে পারবেন ততই ভাল। বাসায় সুগন্ধি ব্যবহার করুন বা ছিটিয়ে রাখুন।

১০. ছাদে পানির ট্যাংক ভর্তি হয়ে গিয়ে পানি যাতে ছাদে জমে না থাকে সেদিকে খেয়াল রাখুন। সেই পানি বের হয়ে যাওয়ার পথ তৈরি করতে হবে।

১১. বাড়ির আঙ্গিনায় যদি কোন গর্ত থাকে, সেগুলো বুজিয়ে দিতে হবে।

১২. যদি এমন হয় কোন স্থানে পানি জমবে এবং সেটা বন্ধ করার উপায় নেই, তাহলে জায়গাটি ঢেকে রাখতে হবে। এতে পানি জমলেও মশা ‌ওখানে ঢুকে ডিম পাড়তে পারবে না।

চিকিৎসকরা বলছেন, যদি কারো জ্বর থাকে তাহলে সেই ব্যক্তির ঢাকার বাইরে ভ্রমণ করা উচিত হবে না। বাড়িতে যাওয়ার পর জ্বর দেখা দিলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন এবং পরীক্ষা করান যে জ্বরটা ডেঙ্গু জ্বর কি-না। যদি ডেঙ্গু জ্বর হয় তাহলে তাকে সবসময় মশারীর মধ্যে থাকতে হবে। যাতে সেখানে যদি এডিস মশা থাকে তাহলে ঐ রোগীকে কামড়িয়ে ভাইরাসে সংক্রমিত হয়ে অন্যদের কামড়াতে না পারে। সতর্ক থাকা প্রয়োজন যাতে করে ঈদ করতে গিয়ে একজনের দ্বারা অন্যজন সংক্রমিত না হন।

আমাদের অনেকের বাসায় পানির বিশুদ্ধকরণের জন্য ফিল্টার রয়েছে। এই ফিল্টারের পানি যেহেতু ঢাকা থাকে তাই এটা নিয়ে চিন্তার কারণ নেই বলে উল্লেখ করেন চিকিৎসকরা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


এই বিভাগের আরো

সর্বশেষ

বিশ্বজুড়ে করোনা ভাইরাস (কোভিড-১৯) আপডেট

বাংলাদেশে

আক্রান্ত
৪৭,১৫৩
সুস্থ
৯,৭৮১
মৃত্যু
৬৫০

বিশ্বে

আক্রান্ত
৬,১৯৫,২৬৭
সুস্থ
২,৭৫৯,৯৬৫
মৃত্যু
৩৭১,৫৮২

বাংলাদেশে করোনা ভাইরাস (কোভিড-১৯) আপডেট

সর্বশেষ (গত ২৪ ঘন্টার রিপোর্ট)
আক্রান্ত
মৃত্যু
সুস্থ
পরীক্ষা
২,৫৪৫
৪০
৪০৬
১১,৮৭৬
সর্বমোট
৪৭,১৫৩
৬৫০
৯,৭৮১
২৯৭,০৬৪
%d bloggers like this: