,


শ্রীমঙ্গলে স্বেচ্ছাশ্রমে সংস্কার করা হলো কাঁচা সড়ক 1

শ্রীমঙ্গলে স্বেচ্ছাশ্রমে সংস্কার করা হলো কাঁচা সড়ক

মৌলভীবাজার প্রতিনিধি: কারও হাতে বাঁশের ঝুড়ি, কারও হাতে কোদাল। একজন মাটি ও বালু কেটে ভরে দিচ্ছেন ঝুড়ি, অন্যরা সেই মাটির ঝুড়ি নিয়ে রাস্তার ভাঙা অংশে ফেলছেন। কেউ কেউ বাঁশ কেটে বাঁশ ও বালু–মাটির বস্তা দিয়ে গার্ড ওয়াল তৈরি করছেন—এভাবেই স্বেচ্ছাশ্রমে ঠিক হয়ে গেল পাহাড়ি ঢলে ভেঙে যাওয়া রাস্তাটি।

মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল উপজেলার লাংলিয়া খাসিয়া পুঞ্জিতে গতকাল বুধবার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত কাজ করে এভাবে স্বেচ্ছাশ্রমে পুঞ্জির একটি গুরুত্বপূর্ণ কাঁচা রাস্তা মেরামত করা হয়।

কারও হাতে বাঁশের ঝুড়ি, কারও হাতে কোদাল। একজন মাটি ও বালু কেটে ভরে দিচ্ছেন ঝুড়ি, অন্যরা সেই মাটির ঝুড়ি নিয়ে রাস্তার ভাঙা অংশে ফেলছেন। কেউ কেউ বাঁশ কেটে বাঁশ ও বালু–মাটির বস্তা দিয়ে গার্ড ওয়াল তৈরি করছেন—এভাবেই স্বেচ্ছাশ্রমে ঠিক হয়ে গেল পাহাড়ি ঢলে ভেঙে যাওয়া রাস্তাটি।

মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল উপজেলার লাংলিয়া খাসিয়া পুঞ্জিতে গতকাল বুধবার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত কাজ করে এভাবে স্বেচ্ছাশ্রমে পুঞ্জির একটি গুরুত্বপূর্ণ কাঁচা রাস্তা মেরামত করা হয়।

কাজে নিযুক্ত কয়েকজনের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, স্বেচ্ছাশ্রমে সংস্কার করা কাঁচা রাস্তাটি লাংলিয়া পুঞ্জির একমাত্র রাস্তা। এ রাস্তা দিয়ে প্রতিদিন পাঁচ শতাধিক মানুষ যাতায়াত করে। প্রতিদিন পুঞ্জির সঙ্গে যোগাযোগের জন্য ছয়-সাতটি জিপগাড়ি যাতায়াত করে। কিছুদিন আগে পাহাড়ি ঢলে রাস্তাটি ভেঙে গিয়েছিল। এরপর স্থানীয় লোকজন জনপ্রতিনিধিদের কাছে গিয়ে ধরনা ধরলেও কাজ হয়নি। তখন পুঞ্জিবাসী মিলে স্বেচ্ছাশ্রমে কাজ করার সিদ্ধান্ত হয়, তাঁরা আর জনপ্রতিনিধিদের দিকে চেয়ে থাকেন না। নিজেরাই রাস্তাটি সংস্কার করে নেন।

সুনীল পানছেট নামের একজন বলেন, ‘পুঞ্জি থেকে শহরে যাওয়ার সময় পুঞ্জি থেকে টিপড়াছড়া পর্যন্ত প্রায় পাঁচ কিলোমিটার কাঁচা রাস্তা খুবই ঝুঁকিপূর্ণ। আমরা প্রায়ই নিজ উদ্যোগে এ রকম স্বেচ্ছাশ্রমে কাজ করে রাস্তা সংস্কার করে আসছি। তবে এগুলো টেকসই নয়। সরকারের তরফ থেকে আমাদের রাস্তাটি পাকা করে দিলে আমরা খুবই উপকৃত হব।’

স্থানীয় সিন্দুরখান ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল্লাহ আল হেলাল বলেন, ‘তাঁরা নিজেরা উদ্যোগী হয়ে রাস্তা সংস্কারের কাজ করেছেন, এটি ভালো উদ্যোগ। ইউনিয়ন পরিষদের উদ্যোগে এ রাস্তাটি পাকা করে দেওয়ার চেষ্টা চলছে। উপজেলা থেকে বরাদ্দ পেলে আমরা কাজ শুরু করব।’

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


এই বিভাগের আরো

%d bloggers like this: