,


পৌনে তিন আনী জমিদার বাড়ি

শেরপুরের অতি শৈল্পিক পৌনে তিন আনী জমিদার বাড়ি ভ্রমন

আমাদের আজকের প্রতিবেদনটি অতি শৈল্পিক পৌনে তিন আনী জমিদার বাড়ি কে ঘিরে। অতি শৈল্পিক পৌনে তিন আনী জমিদার বাড়ি অবস্থিত, অতি শৈল্পিক পৌনে তিন আনী জমিদার বাড়ি এর ইতিহাস, অতি শৈল্পিক পৌনে তিন আনী জমিদার বাড়ির কাঠামো, কেন যাবেন অতি শৈল্পিক পৌনে তিন আনী জমিদার বাড়িতে, কিভাবে যাবেন, কোথায় থাকবেন এ নিয়ে আমাদের প্রতিবেদন টি সাজানো হয়েছে। আশা করি, আমাদের মূল্যবান প্রতিবেদনটি পড়ে আপনারা উপকৃত হবেন।

পৌনে তিন আনী জমিদার বাড়ি কোথায়?

ময়মনসিংহ বিভাগের শেরপুর জেলার আন্তরভুক্ত শেরপুর সদরে পৌনে তিন আনী জমিদার বাড়ি অবস্থিত।

বিভাগ জেলা উপজেলা ইউনিয়ন 
ময়মনসিংহ শেরপুর শেরপুর সদর

পৌনে তিন আনী জমিদার বাড়ি ইতিহাস সম্পর্কে কতটুকু জানেন?

জমিদার সত্যেন্দ্র মোহন চৌধুরী ও জ্ঞানেন্দ্র মোহন চৌধুরীর বাড়িকে বলা হত ‘পৌনে তিন আনী জমিদার বাড়ি’। গ্রীক স্থাপত্যের অনুকরণে নির্মিত স্থাপত্যটি এখনও অক্ষত অবস্থার সাক্ষ্য বহন করছে জমিদারি আমলের। যদিও এদেশ থেকে জমিদারি প্রথা বিলুপ্ত হয়েছে অনেক আগেই। বাড়িটির নির্মাণকাল গোপীনাথ মন্দির নির্মাণেরও অনেক পূর্বে। সুপ্রশস্ত বেদী, প্রবেশ প্রবেশদ্বারের দুই প্রান্তে অনেকগুলো অলংকৃত স্তম্ভ। স্তম্ভগুলোর নিচ থেকে উপর পর্যস্ত কারুকাজ খচিত নকশা। কার্ণিশেও বিভিন্ন প্রকারের মটিভ ব্যবহার করা হয়েছে। আস্তরণ ও পলেস্তারে চুন ও সুড়কীর ব্যবহারও লক্ষণীয়। ছাদগুলোতে গতানুগতিকভাবে লোহার রেলিংয়ের সঙ্গে রয়েছে চুন সুড়কীর ঢালাই। যা একে অন্যান্য জমিদার বাড়ি থেকে আলাদা করেছে।

পৌনে তিন আনী জমিদার বাড়ি কাঠামো কেমন?

  • জমিদার বাড়ির ঠিক দক্ষিণ-পূর্ব কোণে অবস্থিত রং মহল রয়েছে ।
  • আস্তরণ ও পলেস্তারে চুন ও সুড়কীর ব্যবহার রয়েছে ।
  • ছাদগুলোতে গতানুগতিকভাবে লোহার রেলিংয়ের সঙ্গে রয়েছে চুন সুড়কীর ঢালাই।
  • উত্তর-দক্ষিণে লম্বালম্বি এই স্থাপত্যটিতে রয়েছে অনেক গুলো কাঠের জানালা।
  • বাড়ির সাথে আছে একটি সুন্দর পুকুর ।

পৌনে তিন আনী জমিদার বাড়ি কেন যাবেন?

ভ্রমন পিপাসু মানুষ দের কে যদি এই কথা জিজ্ঞাসা করা হয়, তবে তারা এই কথা অহেতু হাসির ছলে উড়িয়ে দিবে । কারন, ভ্রমন পিপাসু মানুষদের কাছে এই কথা মূল্যহীন । তবুও বলি,

  • শান্ত নিরিবিলি পরিবেশ ।
  • পর্যটকদের তেমন ভীড় নেই ।
  • চমৎকার এই জমিদার বাড়ীতে একবার গেলে যেন মনটাই পড়ে থাকবে সেখানে।
  • চমৎকার নকশা করা স্তম্ভগুলো মুগ্ধ করবে যে কোন দর্শনার্থীকে।
  • চমৎকার বাড়িটি দেখলেই বোঝা যায় জমিদার কেমন সংস্কৃতি প্রিয় ছিলেন! ইত্যাদি ।

পৌনে তিন আনী জমিদার বাড়ি ভ্রমন করলে আপনি হতাশ হবেন না । এটি আমরা হরফ করে আপনাদের জানান দিয়ে দিতে পারি ।

কিভাবে পৌনে তিন আনী জমিদার বাড়ি কিভাবে যাবেন ?

যে কোন স্থান হতে বাস যোগে, ট্রেন যোগে শেরপুর যেতে পারেন। তারপর শেরপুর হতে পৌনে তিন আনী জমিদার বাড়িতে  যাওয়ার উপায় নিচে উল্লেখ করা হলোঃ

শেরপুর বাস টার্মিনাল থেকে পৌনে তিন আনী জমিদার বাড়ি

শেরপুর বাস টার্মিনাল থেকে স্থানীয় যানবাহনে ১ কিলোমিটার দুরে পৌনে তিন আনী জমিদার বাড়ি অবস্থিত ।

শেরপুর রেলওয়ে স্টেশন থেকে পৌনে তিন আনী জমিদার বাড়ি

শেরপুর রেলওয়ে স্টেশন থেকে শেরপুর বাস টার্মিনাল রোড দিয়ে স্থানীয় যানবাহনে ১ কিলোমিটার দুরে পৌনে তিন আনী জমিদার বাড়ি অবস্থিত ।

পৌনে তিন আনী জমিদার বাড়ি ভ্রমনে থাকবেন কোথায়?

দেশের নানা প্রান্ত থেকে পৌনে তিন আনী জমিদার বাড়ি ভ্রমনে ভ্রমনযাত্রী আসতে পারে, যাদের একদিনের মধ্যে ভ্রমন করে আবার বাড়ি ফিরে যাওয়া সম্ভবপর হয়ে ওঠেনা । তাই আপনার ভ্রমনে চিন্তা কোনো প্রকার না আসে সে জন্য ক্ষুদ্র প্রয়াসে শেরপুর সদর থানার আশে পাশের কিছু হোটের নাম তুলে ধরছি । যেখানে, আপনি সেফলি থাকতে পারবেন । ম্যাপে শাহাবাজপুর ইউনিয়ন শিবগঞ্জ থানার আশে পাশের কিছু হোটের নাম ও তাদের খরচ সম্পর্কে দেওয়া হলো,

মন্তব্য

পৌনে তিন আনী জমিদার বাড়ি নিয়ে আমাদের প্রতিবেদনটি আশা করি আপনাদের ভালও লেগেছে । আমাদের প্রতিবেদনটি আপনাদের কেমন লাগলো তা আমাদের কমেন্টে জানাতে ভুলবেন না । পরিশেষে, ধন্যবাদ আমাদের প্রতিবেদনটি পড়ার জন্য ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


এই বিভাগের আরো

%d bloggers like this: