,


নাটোর (Natore)

শিক্ষককে মারপিটের অভিযোগ

গুরুদাসপুর (নাটোর) প্রতিনিধিঃ নাটোরের গুরুদাসপুরে কথাকাটাকাটি নিয়ে চাপিলা ইউনিয়নের ৪৩ নং বৃ-চাপিলা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মো.সোহেল রানা কে মারপিটের অভিযোগ উঠেছে ওই বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষীকা মোছা.আঙ্গুরা খাতুনের স্বামী মো.মোস্তফার বিরুদ্ধে। এবং প্রাণনাশের হুমকীও দিয়েছে সোহেল রানাকে।

এ ঘটনায় ভুক্তভোগী শিক্ষক মো. সোহেল রানা গুরুদাসপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও গুরুদাসপুর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।

ভুক্তভোগী সহকারী শিক্ষক সোহেল রানা জানান, আমি মুক্তিযোদ্ধা পরিবারে সন্তান। বিদ্যালয়ে যোগদানের পর থেকেই সহকারী শিক্ষক হিসেবে নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করে আসছি।

বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষীক্ষা আঙ্গুরা খাতুনের সঙ্গে বিদ্যালয় সংক্রান্ত একটি বিষয়ে কথা কাটাকাটি হয়। সেই সূত্র পাত ধরে গত ২৭/০৪/১৯ তারিখ রোজ শনিবার বেলা অনুমান ২ ঘটিকার সময় বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আমাকে তার অফিস কক্ষে ডাকে। সেখানে আমি উপস্থিত হলে হঠাৎ সহকারী শিক্ষক আঙ্গুরা খাতুন আমাদের কথার মাঝে এসে কথা বলে পরিবেশ উত্তপ্ত করে। এবং তার কিছুক্ষণ পরেই আঙ্গুরা খাতুনের স্বামী পেছন থেকে এসে বিদ্যালয় ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি, প্রধান শিক্ষক, সহকারী শিক্ষক-শিক্ষীকার সামনে আমাকে মারপিট করতে থাকে।

তখন আমার চিৎকারে উপস্থিত থাকা সবাই তাকে সরিয়ে নিয়ে যায়। বর্তমানে আমি বিবাদীদ্বয়ের ভয়ে বিদ্যালয়ে যেতে সাহস পাচ্ছি না। আমি বিদ্যালয়ে গেলে বিবাদীদ্বয় আমার প্রান নাশ ঘটাতে পারে। আমি এর ন্যায় বিচারের দাবি জানাচ্ছি।

অভিযুক্ত সহকারী শিক্ষীকার স্বামী মো.মোস্তাফা হোসেন বলেন, হঠাৎ করেই ঘটনাটি ঘটে গেছে। তবে আমি তাকে মারধর করিনি। শুধু ঘাড়ে হাত দিয়ে ধাক্কা দিয়েছি। তারপরও আমি তৎখনাত সোহেলের কাছে হাত ধরে ক্ষমা চেয়েছি। অনাকাঙ্খিত ঘটনার জন্যে আমি অনুতপ্ত।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো.আব্দুল গফুর মুঠোফনে বলেন, ঘটনা যেটাই ঘটুক। সেটা তৎখনাত মিমাংশা করে দেওয়া হয়েছে।

বিদ্যালয় ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি মো.মহাসিন আলী বলেন, আমার উপস্থিতে যে অনাকাঙ্খিত ঘটনাটি ঘটেছে তার জন্য আমি লজ্জিত। তবে অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো.রফিকুল ইসলাম জানান, মৌখিক অভিযোগ পেয়েছি। তবে লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনগন ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো.মিজানুর রহমান জানান, অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


এই বিভাগের আরো

%d bloggers like this: