,


মৌনির বদলে তামান্না
মৌনির বদলে তামান্না

মৌনির বদলে তামান্না

ডেস্ক রিপোর্টারঃ জনপ্রিয় ওয়েব সিরিজ সেক্রেড গেমসের দ্বিতীয় সিজনের শুটিং চলছিল কেনিয়ায়। হঠাৎ করেই খবর এল, ‘সেক্রেড গেমস-২’-এর অভিনেতা নওয়াজুদ্দিন সিদ্দিকী ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন ‘বোলে চুড়িয়া’ ছবি নিয়ে।

মুম্বাইয়ে বড় ভাই শামাস নওয়াব সিদ্দিকী আর তাঁর পরিবারের সঙ্গেই থাকেন নওয়াজুদ্দিন সিদ্দিকী। আর ‘বোলে চুড়িয়া’ ছবিটি দিয়ে শামাস নওয়াব সিদ্দিকী পা রাখবেন বলিউডের আঙ্গিনায়। তবে ছোট ভাইয়ের মতো অভিনয় দিয়ে নয়, এই ছবি দিয়ে পরিচালক হিসেবে অভিষেক ঘটবে তাঁর। আর তাই ‘বোলে চুড়িয়া’ নওয়াজুদ্দিনের জন্য একটা বিশেষ ছবি।

কথা ছিল ‘বোলে চুড়িয়া’ ছবিতে প্রথমবারের মতো জুটি বেঁধে অভিনয় করবেন নওয়াজুদ্দিন সিদ্দিকী আর মৌনি রায়। কিন্তু কোনে কারণ ছাড়াই মৌনি রায় গত ৩০ মে ছবির নির্মাতাদের সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, এই ছবি করবেন না তিনি। ফলে নির্মাতাদের কাছ থেকে ‘চরম অপেশাদার’ তকমা জুটেছে মৌনি রায়ের কপালে।

এবার জানা গেল, মৌনি রায়ের সেই শূন্যস্থান পূরণ করবেন ‘বাহুবলী ২’ খ্যাত দক্ষিণ ভারতের জনপ্রিয় অভিনেত্রী তামান্না ভাটিয়া। রাজেশ ভাটিয়া এবং কিরণ ভাটিয়া প্রযোজিত এই ছবিটির পুরো শুটিং হবে রাজস্থানে। এখানেই প্রথমবারের মতো জুটি বেঁধে অভিনয় করবেন নওয়াজুদ্দিন সিদ্দিকী ও দক্ষিণ ভারতের সবচেয়ে বেশি পারিশ্রমিক পাওয়া অভিনেত্রীদের একজন তামান্না ভাটিয়া। আজকে সকাল ৯টা ৩১ মিনিটে নওয়াজুদ্দিন নিজেই একটি টুইটের মাধ্যমে এই খবর জানান।

তামান্না ভাটিয়ার একটি চমৎকার ছবি শেয়ার করে নওয়াজুদ্দিন লিখেছেন, ‘অবশেষে আমাদের পার্ফেক্ট হিরোইন খোঁজার যাত্রা তামান্না ভাটিয়ার কাছে এসে শেষ হল। চরম গর্জিয়াস আর দারুণ মেধাবী এই অভিনেত্রীকে ‘বোলে চুড়িয়া’ পরিবারে আমন্ত্রণ।’ তিনি আরও বলেন, ‘আমি তামান্নার সঙ্গে কাজ করার বিষয়ে খুবই আনন্দিত ও সন্তুষ্ট। এই চরিত্রের জন্যই সে-ই সবথেকে সঠিক ব্যক্তি।’ অন্যদিকে তামান্না ভাটিয়াও এই ছবির সঙ্গে যুক্ত হতে পেরে আনন্দিত।

ডেকান ক্রনিকলের এক প্রতিবেদন অনুযায়ী তিনি বলেছেন, ‘আমি এই ছবিতে কাজ শুরু করার জন্য জন্য মুখিয়ে আছি। এর মধ্য দিয়ে বলিউডের সবথেকে বহুমুখী চরিত্রে মানানসই অভিনেতার সঙ্গে পর্দা ভাগ করব। এই ছবির গল্প আমাকে সবথেকে বেশি আকৃষ্ট করেছে। গল্পটা খুব প্রাসঙ্গিক আর প্রভাবশালী।’ অন্যদিকে পরিচালক শামাস নওয়াজ সিদ্দিকী বলেন, ‘তামান্নার চোখে সেই স্ফুলিঙ্গ আছে, যেটি আমি আমার হিরোইনের জন্য খুঁজছিলাম।’ এদিকে প্রযোজক রাজেশ ভাটিয়ার মতে তামান্না আর নওয়াজুদ্দিন এই ছবির জন্য সেরা জুটি। এই প্রযোজকের মতে তামান্না ভাটিয়ার মতো প্রতিশ্রুতিশীল, ইতিবাচক আর মনোযোগী শিল্পী আর হয় না।

কতটা পার্ফেক্ট এই জুটি সেই রায় দেবে দর্শক। আর তা জানতে বছরখানিক অপেক্ষা করা ছাড়া গতি নেই। কেননা, ২০২০ সালে ছবিটি বড় পর্দায় মুক্তির কথা রয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


এই বিভাগের আরো

%d bloggers like this: