,


বাংলাবান্ধা স্থলবন্দরে চীনের সঙ্গে ইমিগ্রেশন ব্যবস্থার দাবি
বাংলাবান্ধা স্থলবন্দরে চীনের সঙ্গে ইমিগ্রেশন ব্যবস্থার দাবি

বাংলাবান্ধা স্থলবন্দরে চীনের সঙ্গে ইমিগ্রেশন ব্যবস্থার দাবি

ডেস্ক রিপোর্টারঃ পঞ্চগড়ের বাংলাবান্ধা স্থলবন্দর দিয়ে দিন দিন বাড়ছে ভারতগামী যাত্রীর সংখ্যা। তবে ইমিগ্রেশন থেকে ভারতের জিরো পয়েন্ট পর্যন্ত যানবাহনের কোনো ব্যবস্থা নেই। নেই টয়লেট ও যাত্রী ছাউনি। এতে দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন দু’দেশের যাত্রীরা। জেলা প্রশাসন বলছে, সমস্যা সমাধানে ওয়ান স্টপ চেকিং সার্ভিস চালুর উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। অন্যদিকে, বাংলাদেশ-ভারতের মতো এই রুটে চীনের সঙ্গেও ইমিগ্রেশন ব্যবস্থার দাবি জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা।

পঞ্চগড়ের বাংলাবান্ধা স্থলবন্দর। শুরুতে বাণিজ্য সম্প্রসারণে বন্দরটির যাত্রা শুরু হলেও সময়ের দাবি মেনে চালু করা হয় বাংলাদেশ-ভারত ইমিগ্রেশন ব্যবস্থা। বন্দর থেকে মাত্র ৮ কিলোমিটার দূরে ভারতের শিলিগুড়ি। আর দার্জিলিংয়ের দূরত্ব ৮৫ কিলোমিটার। সহজে যাতায়াতের সুবিধা পেতে এ রুটে বেড়েছে ভারতগামী যাত্রীর সংখ্যা। ব্যবসা-বাণিজ্য, ভ্রমণ ও চিকিৎসা কাজে প্রতিদিন যাতায়াত করছেন নানা শ্রেণি পেশার মানুষ। তবে বন্দরের ইমিগ্রেশন থেকে ভারতের জিরো পয়েন্ট পর্যন্ত কোনো যানবাহনের ব্যবস্থা না থাকায় প্রতিনিয়ত বিড়ম্বনার শিকার হচ্ছেন যাত্রীরা। সেই সাথে বন্দর এলাকায় নেই আবাসিক হোটেল, রেস্টুরেন্ট ও যাত্রী ছাউনিসহ টয়লেট সুবিধা।

যাত্রীসেবা নিশ্চিত করতে অচিরেই সমস্যা সমাধানের আশ্বাস দিয়েছে জেলা প্রশাসন।

ভারপ্রাপ্ত জেলা প্রশাসক আব্দুল মান্নান বলেন, এখানে ওয়ান স্টপ যাত্রী সার্ভিস চালু করার জন্য কর্তৃপক্ষ বরাবর আবেদন করা হয়েছে।

এদিকে, বাংলাবান্ধা স্থলবন্দর থেকে চীনের দূরত্ব মাত্র ১শ’ ৯০ কিলোমিটার। আর তাই এ রুটে বাংলাদেশ-চীন ইমিগ্রেশন ব্যবস্থা চালু করার দাবি বন্দর সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীদের।

পঞ্চগড় আমদানি-রপ্তানিকারক অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মেহেদী হাসান খান বাবলা বলেন, এখান থেকে ভারত-নেপাল-ভুটান অত্যন্ত কাছে। ভবিষ্যতে চীনের সঙ্গেও এই পথে যোগাযোগ করা সম্ভব।

বন্দর কর্তৃপক্ষ জানায়, গেল জুনে বাংলাবান্ধা স্থলবন্দর দিয়ে ৮ হাজারের বেশি যাত্রী ভারতে গেছেন। এর মধ্যে চিকিৎসা সংক্রান্ত যাত্রীর সংখ্যা সবচেয়ে বেশি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


এই বিভাগের আরো

%d bloggers like this: