,


একটি বাংলাদেশ সংবাদ (Ekti Bangladesh News)

বরগুনায় জোড় করে গাছ কেটে নিয়ে যাবার সময় পুলিশের হাতে জব্দ

বরগুনা প্রতিনিধিঃ বরগুনা সদর উপজেলার ৬নং বুড়িরচর ইউনিয়নের ছোট লবনগোলা গ্রামের বাসিন্দা আঃ খবির হাওলাদারের জমি থেকে জোড় করে প্রতিপক্ষের লোকজন ১০ টি রেইনট্রি, তিনটি কড়াই, ৮ টি চাম্বল ও ১৫ টি মেহগনি গাছ কেটে নিয়ে যাবার সময় গাছগুলোকে জব্দ করেছে বরগুনা থানার (এস আই) রফিক। গাছ জব্দের পর সেই গাছগুলোকে স্থানীয় জাহাঙ্গীর হোসেন নামের এক ব্যাক্তির কাছে জিম্মায় রেখেছে পুলিশ। জমির ফয়সালা না হওয়া পর্যন্ত গাছ থাকবে সেই জিম্মাদারের কাছে। ঘটনাটি ঘটেছে গত সোমবার বেলা ১১ টার দিকে।
জমির মালিক আঃ খবির হাওলাদার অভিযোগ করে জানান, বরগুনা থানায় এ অভিযোগ জানানোর পর তারা আমাকে আদালতে যাবার পরামর্শ দেয়। আমি বরগুনা বিজ্ঞ নির্বাহী আদালতে একটি অভিযোগ দায়ের করি। সেই অভিযোগের প্রেক্ষিতে গাছগুলোকে পুলিশ উদ্ধার করা হয়। আদালতে আঃ খবিরের অভিযোগ ছিলো, আমি হেবা বেল এওয়াজ দলিল মুলে মালিক দাখিলকারক নিযুক্ত থাকিয়া বাগান বাড়ী তৈরী করিয়া বিভিন্ন প্রজাতির গাছপালা জন্মাইয়া শান্তি পূর্ন ভাবে ভোগ দখল করিতেছি। বিবাদী মোঃ বশির হাং, ইউনুছ, নাছিমা ও মমতাজ সহ অজ্ঞাত ২০ জন মিলে অন্যায় ভাবে লাভবান হওয়ার দুরাশায় দূর্লোভের বশবর্তী হইয়া আমার জন্মানো গাছপালা জোর পূর্বক কাটিয়া নেওয়ার উদ্দেশ্যে গভীর ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হইয়া আমার বিরুদ্ধে অফিসার ইনচার্জ বরগুনা থানায় দরখাস্ত দায়ের করিলে আমাকে মৌখিক ভাবে নোটিশ প্রদান করিলে নোটিশ মর্মে ইংরেজি ১৫ জুন ২০১৯ তারিখ বরগুনা থানায় হাজির হইলে তৎসুযোগে ঘটনার দিন শনিবার সকাল ১০ টায় বিবাদীগণ এবং অজ্ঞাত ২০ জন বিবাদীরা কড়াত, কুঠার, শাপল, দড়ি, রামদাও ছ্যানা ইত্যাদি অস্রে সজ্জিত অবস্থায় স্বত্ব দখলীয় হেবা বেল ও এওয়াজ দলিলে বর্নিত সম্পত্তির মধ্যো অনধিকার প্রবেশ পূর্বক বিকাল তিন টা পর্যন্ত সম্পূর্ণ অন্যায় ভাবে লাভবান হওয়ার দুরাশায় আমার জন্মানো গাছ কাটে। যাহার মুল্য অনুমান এক লাখ ৭৫ হাজার টাকা হইবে। আমার ছেলে মোঃ লিটন তাহা দেখিতে পাইয়া আমাকে মোবাইল ফোনে সংবাদ জানাইলে আমি বরগুনা থানা থেকে বাড়ীতে গিয়া কতিপয় স্থানীয় লোকজনদের নিয়া
সরেজমিনে হাজির হইয়া গাছ কাটিতে বাঁধা প্রদান করিলে বিবাদীরা বাঁধা মানে নাই। উপরন্ত আমাকে ও লোকজনদেরকে মারাত্মক জখম ও খুনের ভীতি প্রদর্শন করিয়া তারাইয়া দিয়াছে। এমতাবস্থায় বিবাদীগণ কর্তৃক কর্তনকৃত গাছগুলো উদ্ধারের নির্মিতে ফৌজদারি কার্যবিধি আইনে ৯৮ ধারায় বিধান মোতাবেক গাছগুলো জব্দ একান্ত আবশ্যক মর্মে আদালতে একটি অভিযোগ দায়ের করি।
গাছের জিম্মাদার জাহাঙ্গীর হোসেন জানান, ৪০ পিচ কাটা গাছ ও আনুমানিক ৬০ মন লাকড়ি পুলিশ আমার হেফাজতে রেখে গেছে। ফয়সালা না হওয়া পর্যন্ত আমি গাছ ও লাকড়ি গুলো দেখে রাখবো।
এ ব্যাপারে অভিযুক্তদের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তাদেরকে পাওয়া যায়নি।
গাছের দাবী করা মালিক আঃ খবির হাওলাদার জানান, আমার জমির গাছ যারা কেটে নিতে চেয়েছে প্রশাসনের কাছে তাদের বিচার কামনা করছি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


এই বিভাগের আরো

%d bloggers like this: