,


তাড়াশে শ্লীলতাহানির অভিযোগ করায় অভিযোগকারী পরিবারের উপর হামলা 1

তাড়াশে শ্লীলতাহানির অভিযোগ করায় অভিযোগকারী পরিবারের উপর হামলা

স্টাফ রিপোর্টার: সিরাজগঞ্জের তাড়াশে প্রধান শিক্ষক ভবেশ চঁন্দ্র রায়ের বিরুদ্ধে শ্লীলতাহানির অভিযোগ করায় তার ভাড়াটে লোকজন দিয়ে অভিযোগকারী সহকারি শিক্ষিকা শ্যামলী বালার পরিবারের উপর হামলা করার অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ সুত্রে জানা গেছে, উপজেলার মাধাইনগর ইউনিয়নের সরাপপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক ভবেশ চন্দ্র রায়ের বিরুদ্ধে ওই বিদ্যালয়ের দুই সহকারী শিক্ষিকা শ্যামলী বালা ও সাহানা খাতুনকে মোবাইলে অশ্লীল ভিডিও দেখিয়ে কু-প্রস্তাব দেয়। এর প্রেক্ষিতে গত ৪ জুলাই বিদ্যালয়ের সভাপতি এক শালিস বাসিয়ে মিমাংশা করে দেয়। মিমাংসার কয়দিন যেতে না যেতেই আবারও একই ভাবে আপত্তিকর প্রস্তাব দিলে গত ৪ আগষ্টে ওই দুই শিক্ষক শ্লীলতাহানির লিখিত অভিযোগ উপজেলা নির্বাহী অফিসার সহ সরকারের বিভিন্ন দপ্তরে দাখিল করেন।

এর প্রেক্ষিতে গত ৭ আগস্ট রাত্রিতে ওই অভিযুক্ত শিক্ষক ভবেশ চঁন্দ্র রায়ের পক্ষের লোকজন মিটিং করে তার পক্ষে রায় এবং নিজেকে নির্দোষ প্রমানের জন্য অভিযোগ কারী শিক্ষক শ্যামলী বালা ছোট ভাই নিতাই চন্দ্র সিং এর নিকট সাদা কাগজে স্বাক্ষর নিতে যায়। সে স্বাক্ষর দিতে অস্বীকৃতি জানালে প্রধান শিক্ষক ভবেশের ভাড়া করা লোকজন তার উপর অর্তকিত হামলা করে মারপিট আহত করে। এ ঘটনায় আবারও অভিযোগকারী শিক্ষকের পরিবারের লোকজনের উপর হামলা করার জন্য ওই অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষক ভবেশের বিরুদ্ধে আবারও সরকারের বিভিন্ন দপ্তরের অভিযোগ পত্র দাখিল করেন। অভিযোগের আলোকে ৩ সদস্য বিশিষ্ট্য একটি তদন্ত কমিটিও গঠন করেছে উপজেলা শিক্ষা অফিস। আর অভিযোগ দেওয়ায় ওই অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষক ভবেশ চন্দ্র রায় তার ভাড়াটে লোকজন দিয়ে বুধবার সহকারী শিক্ষিকা শ্যামলী বালার ছোট ভাই শ্রী নিতাই চন্দ্র সিং এর উপর হামলা চালিয়ে মারপিট করে প্রাণ নাষের হুমকি দেয়। পরে নিরাপত্তা চেয়ে আবারও উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও শিক্ষা অফিসার বরাবর লিখিত অভিযোগ করেন।

এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ভারপাপ্ত) ওবায়দুল্লাহ বলেন, বিষয়টি নিয়ে ৩ সদস্য বিশিষ্ট্য তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। অভিযোগের বিষয়টি তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

উল্লেখ্য, উপজেলার মাধাইনগর ইউনিয়নের সরাপপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ভবেশ চন্দ্র রায় একই বিদ্যালয়ের দুই সহকারী শিক্ষককে মোবাইলে অশ্লীল দেখিয়ে কু-প্রস্তাব দিয়ে আসছিলেন। বিষয়টি স্কুলের সিনিয়র শিক্ষক ও ম্যানেজিং কমিটির সভাপতিকে বলেও কোনো সমাধান না পেয়ে, জেলা প্রশাসকসহ সরকারি বিভিন্ন দফতরে লিখিত অভিযোগ দেন ওই দুই ভুক্তভোগী শিক্ষিকা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


এই বিভাগের আরো

%d bloggers like this: