,


ঠাকুরগাঁওয়ে প্রতিবেশিদের মারপিট, ঘরবাড়ি ভাংচুরের অভিযোগ

ঠাকুরগাঁওয়ে প্রতিবেশিদের মারপিট, ঘরবাড়ি ভাংচুরের অভিযোগ

ওয়াদুদ হোসেন,ঠাকুরগাঁও : ঠাকুরগাঁওয়ে জমি বিরোধের জের ধরে প্রতিবেশিদেরকে মারপিট করার পর তাদের ঘরবাড়ি ভাংচুর করার অভিযোগ উঠেছে।

শনিবার দুপুরে সদর উপজেলার চিলারং ইউনিয়নের ভেলাজান গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। আর এমনই অভিযোগ করেন ভেলাজান গ্রামের বাসিন্দা ওয়াজেদ আলী।

এ ঘটনায় আহত হয়েছেন ওয়াজেদ আলী (৩৬), তার স্ত্রী আনোয়ারা (৩৫), ছেলে মেহেদী হাসান (১২), শ্বাশুড়ি রশিদা খাতুন (৫০), বোন হাজেরা বেগম (৪০) ও ভাতিজা সাকিব (১২)।

আহত সবাই ঠাকুরগাঁও আধুনিক সদর হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন।

ওয়াজেদ আলী অভিযোগ করে বলেন, ১৯৮০ সালে আমার চাচা শুকুর আলীর কাছ থেকে ভেলাজান গ্রামে ৫ শতক জমি ক্রয় করে নেই। এরপর ওই জমিতে দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন ফসল আবাদ করে আসছিলাম। বর্তমানে ওই জমিতে পাকা ঘরবাড়ি নির্মাণ করে পরিবার নিয়ে বসবাস করছেন তিনি।

৫ শতক জমির উপর নির্মিত ঘরবাড়িসহ জমি জোরপূর্বক দখল করার জন্য প্রতিবেশি রমজান আলীসহ তার লোকজন প্রায় ২০ বছর ধরে দখল করার চেষ্টা করে আসছিল বলে অভিযোগ ওয়াজেদ আলীর।

ওয়াজেদ আলী বলেন, গত শনিবার (৩১ আগস্ট) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে আমার বাড়ির সামনে দোকানঘর মেরামতের কাজ করা হচ্ছিল। এসময় লাঠিসোটা ও ধারালো অস্ত্র সঙ্গে নিয়ে প্রতিবেশি রমজান আলী তার লোকজন এসে বাঁধা দিলে উভয় পক্ষের মাঝে বাকবিতন্ডার সৃষ্টি হয়। এসময় রমজান আলী ও তার লোকজন আমাকে ও আমার পরিবারের লোকজনকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে জখম করে ও লাঠিসোটা দিয়ে বেধরক পেটায়। এছাড়াও সন্ত্রাসী বাড়ির মহিলাদের শ্লীলতাহানির চেষ্টা করে।

এ ঘটনায় ওয়াজেদ আলী, তার স্ত্রী আনোয়ারা, ছেলে মেহেদী হাসান, শ^াশুড়ি রশিদা খাতুন, বোন হাজেরা বেগম ও ভাতিজা সাকিব আহত হয়।

পরে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে আসলে রমজান আলী ও তার লোকজন পালিয়ে যায়। এরপর স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে ঠাকুরগাঁও আধুনিক সদর হাসপাতালে ভর্তি করে।

বাড়িতে লোকজন না থাকার সুযোগ কাজে লাগিয়ে আবারও রাত সাড়ে ৩টার দিকে রমজান আলী ও তার লোকজন দোকানঘর ও বাড়িঘরে হামলা চালায় বলে অভিযোগ ওয়াজেদ আলীর।

আহতরা ঠাকুরগাঁও আধুনিক সদর হাসাপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন। ওয়াজেদ আলী ও তার পরিবারের লোকজনকে নানা ভাবে হত্যার হুমকি দিয়ে আসছে অভিযুক্তরা।

ঘটনা সম্পর্কে কথা বলার জন্য অভিযুক্ত রমজান আলীর মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলেও তাকে পাওয়া যায়।

এ বিষয়ে ঠাকুরগাঁও সদর থানার ওসি আশিকুর রহমান বলেন, এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কেউ লিখিত অভিযোগ দেয়নি; অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


এই বিভাগের আরো

%d bloggers like this: