,


এলজিইডি’র এক কি.মি সড়কের কাজে নিম্নমানের নির্মাণ সামগ্রী ব্যবহারের অভিযোগ : দেড় বছরেও শেষ হয়নি নির্মাণ কাজ

এলজিইডি’র এক কি.মি সড়কের কাজে নিম্নমানের নির্মাণ সামগ্রী ব্যবহারের অভিযোগ : দেড় বছরেও শেষ হয়নি নির্মাণ কাজ

আগৈলঝাড়া (বরিশাল) থেকেঃ কার্যাদেশ প্রদানের পরে দেড় বছরেও শেষ হয়নি এলজিইডি বিভাগের এক কি.মি সড়ক কার্পেটিং এর কাজ। নিম্নমানের নির্মাণ সামগ্রী দিয়ে ওই সড়কের নির্মাণ কাজ শুরু করলে অভিযোগের পর একাধিবার প্রকৌশল বিভাগ বন্ধ করে দেয়ায় সড়ক উন্নয়নের নামে খুঁড়ে রাখা বেড ও যত্রতত্র খোয়া-বালু ফেলে রেখে ঠিকাদারের গাফিলতি ও খামখেয়ালীপনায় চরম দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন পথচারীসহ স্থানীয়রা।

বরিশালের আগৈলঝাড়ার গৈলা বাজার থেকে চাঁদশী সংযোগ সড়ক পর্যন্ত জনগুরুত্বপূর্ণ এক কিলোমিটার সড়কের কার্পেটিংয়ের কাজ গত দেড় বছরেও শেষ হয়নি। উন্নয়নের নামে সড়কের বেড খুঁড়ে যত্রতত্র খোয়া-বালু ফেলে রাখায় এলাকার লোকজনের চলাচলে চরম ভোগান্তি হলেও এলজিইডি বিভাগ ও সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারের কোন মাথাব্যথা নেই।

উপজেলা প্রকৌশলী রাজকুমার গাইন জানান, গৈলা বাজার থেকে চাঁদশী সংযোগ সড়ক পর্যন্ত পাকাকরণের জন্য এলজিইডি বিভাগ থেকে ১কোটি ২৪লাখ ৫৩হাজার ৬শ’ ৭২টাকা ব্যয়ে ২০১৭ সালের মার্চ মাসে দরপত্র আহ্বাণ করা হয়। টেন্ডারে সেরনিয়াবাত ট্রেডার্স নামের একটি ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান কার্যাদেশ পায়। কার্যাদেশ পেয়ে চুক্তিবদ্ধ ঠিকাদার স্থানীয় সাবেক মেম্বর আবু হানিফ সরদারের কাছে কাজটি বিক্রি করে দেয়। ওই বছর এপ্রিল মাসে ক্রয়কারী ঠিকাদার সড়কের নির্মাণ কাজ শুরু করেন।

সাব ঠিকাদার হানিফ সরদার কাজের শুরুতেই স্থানীয়দের আপত্তির মুখেও নিম্নমানের নির্মাণ সামগ্রী দিয়ে কাজ শুরু করলে স্থানীয়দের বাঁধার মুখে উপ-সহকারী প্রকৌশলী জাহিদুর রহমান কাজ বন্ধের নির্দেশ প্রদান করেন।

স্থানীয়রা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, কাজের শুরুতেই ঠিকাদার সড়কটি কার্পেটিং এর জন্য বেড খুঁড়ে বিভিন্ন অংশে নিম্নমানের নির্মাণ সামগ্রী স্তুপ করে রাখায় তারা আপত্তি করে আসছিলো।

সংশ্লিষ্ট কাজ তদারকির দায়িত্বে থাকা উপ-সহকারী প্রকৌশলী জাহিদুর রহমান বলেন, সড়ক উন্নয়ন কাজের জন্য নিম্নমানের নির্মাণ সামগ্রী স্তুপ করায় তাকে সেগুলো ফেরৎ দেয়া হয়েছে। তাকে মানসম্মত কাজ করার জন্য একাধিকবার চিঠিও দেয়া হলেও কাজের কাজ কিছুই হয়নি।

এব্যাপারে উপজেলা প্রকৌশলী রাজকুমার গাইন জানান, ঠিকাদার যে কাজ করেছে সেই হিসেবে তাকে বিল দেয়া হয়েছে। বাকী কাজ করলে বিল দেয়া হবে, অন্যথায় নয়। বর্ষার কারণে নির্মাণ কাজ বন্ধ থাকলেও বর্তমানে দ্রুতই কাজটি সম্পন্ন করা হবে বলেও জানান তিনি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


এই বিভাগের আরো

%d bloggers like this: