,


বরগুনা (Barguna)

আদালতের রায় অমান্য করে বীজ ক্ষেতে ট্রিলার দিয়ে চাষাবাদ

বরগুনা জেলা প্রতিনিধিঃ বরগুনার তালতলীতে নয়া ভাইজোড়া এলাকায় রোপন করা বীজ ক্ষেতে জোর পূর্বক ট্রিলার দিয়ে চাষাবাদ করেছে প্রতিপক্ষরা।

গতকাল ৩ সেপ্টেম্বর ২০১৮ইং সোম বার বিকালে এ ঘটনা ঘটে। এ বিষয়ে তালতলী থানায় মামলা করতে গেলে মামলা নেয়নি পুলিশ, বলেও অভিযোগ করেন ক্ষতিগ্রস্তরা। তবে অভিযোগ পেয়ে সাংবাদিকরা ঘটনাস্থলে গিয়ে অভিযোগের সত্যতা পান।

নয়া ভাইজোড়া এলাকার হযরত আলীর পুত্র আব্দুল আজীজ জানান, দীর্ঘ প্রায় ৫০ বছর ধরে ৩৮০, ৩৮১, ৪৪৫ খতিয়ান ভুক্ত দাগ নং ১৪৪১, ১৪৪২, ১৪৪৩,১৪৪৪,১৪৪৫ এর ২৩ একর ৯৩ শতাংশ জমি ভোগদখল করে আসছিল সে। কিন্তু ২০১০ সালে জমির মালিকানা দাবি করে মামলা করে একই এলাকার কাছেম আলী।

পরে ২০১৭ সালের ফেব্রুয়ারীতে ্আদালত ওই জমি মামলার রায় না হওয়া পর্যন্ত দখলসুত্রে ভোগ দখল করার নির্দেশ দেয় আব্দুল আজিজকে। কিন্তু আদালতের রায় উপেক্ষা করে প্রতিপক্ষ সালাম ও তার দলবল দেশীয় অস্ত্র শস্ত্রসহ সোমবার বিকালে আজিজের রোপন করা আমন বীজ ক্ষেতে ট্রিলার দিয়ে চাষাবাদ করে ফের বীজ লাগানোর জন্য জমি প্রস্তুত করে।

পরে আজিজ তালতলী থানায় মামলা করতে গেলে মামলা নেয়নি পুলিশ। তবে কেন মামলা নেয়নি সে বিষয়ে কোন কথা বলতে রাজি হয়নি তালতলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা পুলক চন্দ্র রায়।

তবে আব্দুল আজিজ আরো জানান, ২৩ জুলাই ২০১৭ সালে সকাল ৯ টার সময় তার ছেলে আবুল বাসার গরু কেনার উদ্দ্যেশে বড় ভাই জোড়া এলাকার মোস্তফা হাওলাদারের বাড়ির সামনে পৌছালে প্রতিপক্ষ আবুল কালাম, আলামিন, আবু ছালাম, জহিরুল, সুলতান মৃধা, চান মিয়া, নয়ন, ছিদ্দিক, কুদ্দুস, খলিল, জলিল, কবির, মনির, জাহাঙ্গির, আমজাদ আলীসহ একত্র হয়ে তার ছেলেকে পিটিয়ে গুরুতর আহত করে, পরে সে বরিশাল শেবাচিমে চিকিৎস্যাধীন অবস্থায় ২৪ জুলাই মারা যায়।

এ ঘটনায় ২৬ জুলাই ২০১৭ তে তালতলী থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। জমি নিয়ে বিরোধের কারনেই তার ছেলেকে নির্মম ভাবে হত্যা করেছে প্রতিপক্ষরা। এ মামলায় জামাল ও আলামিন জেল হাজতে আছেন।

আর অন্যরা জেল থেকে বের হয়ে এখন সে ও তার পরিবারের সবাইকে প্রানে মেরে ফেলার হুমকি দিচ্ছেন জমি ছারার জন্য।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


এই বিভাগের আরো

%d bloggers like this: